Ad Space 100*120
Ad Space 100*120

ঢাবির ভর্তি পরিক্ষায় প্রথম লক্ষ্মীপুরের তাবাসসুম


প্রকাশের সময় : ২ সপ্তাহ আগে
ঢাবির ভর্তি পরিক্ষায় প্রথম লক্ষ্মীপুরের তাবাসসুম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরিক্ষায় এ-ইউনিটের মানবিক বিভাগের মেধা তালিকায় প্রথম হয়েছেন লক্ষ্মীপুরের নাফিসাহ্ তাবাসসুম। পরিক্ষায় মোট নম্বরের মধ্যে এ-ইউনিটে পেয়েছেন ৯৮.৫০ নম্বর। এছাড়া সি-ইউনিটের একই বিভাগে ৯৯.২৫ নম্বর পেয়ে ৪র্থ এবং বি-ইউনিটে ৯৬.৫০ নম্বর পেয়ে সম্মিলিত মেধা তালিকায় ২৩তম স্থান অর্জন করেন তাবাসসুম। তিনি লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেছেন। রবিবার (৩১ মার্চ) এ তথ্য নিশ্চিত করেন তাবাসসুমের বাবা লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ মাহাবুবুল করিম।

জানা যায়, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দিঘলী ইউনিয়নের সানকিভাঙা গ্রামে তাবাসসুমের বাড়ী। দুই বোনের মধ্যে তাবাসসুম ২য়। লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের কাকলি শিশু অংগন থেকে প্রাইমারী স্কুলে লেখাপড়া শেষ করে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হয় জেলা শহরের লক্ষ্মীপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে। সেখান থেকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি পাশ করে। পরে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ থেকেও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পায় তাবাসসুম। ইউসিসি ফার্মগেট শাখা থেকে কোচিং করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ-ইউনিটের মানবিক বিভাগের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে তাবাসসুম মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করে। তার এই কৃতিত্বে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের সকল শিক্ষকসহ তাঁহার সহপাঠী, আত্নীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী বেশ আনন্দিত। বাবার সরকারি চাকুরির সুবাদে শহরের থাকলেও তাবাসসুমের গৃহিনী মা সন্তানদের লেখাপড়ায় আপসহীন এবং সব সময় পাশে বসে পড়িয়েছেন।

নাফিসাহ্ তাবাসসুম বলেন, আমার প্রতি পরিবারের সকলের আস্থা ছিল, যাহা আমার অর্জনের মধ্যে দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে। কারন আমি এসএসসি ও এইচএসসিতেও ভালো ফলাফল করি। সেখান থেকে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার ইচ্ছা জাগে এবং ভর্তির প্রস্তুতির জন্য ইউসিসি কোচিং সেন্টারে ভর্তি হই। ভালো প্রস্ততির কারণেই আমি সফল হয়েছি। দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন এ শিক্ষার্থী।

তাবাসসুমের বাবা লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ মাহাবুবুল করিম বলেন, সন্তানের এমন দেশসেরা সাফল্যে আমি আনন্দিত। সে (তাবাসসুম) এখানে আসা পযর্ন্ত অনেক কষ্ট করেছে। এবার তাবাসসুুমসহ ২৮জন শিক্ষার্থী ঢাবিতে ভর্তির যোগ্য বিবেচিত হয়েছেন। এছাড়াও ৮জন শিক্ষার্থী ডেন্টাল ও সরকারি মেডিকেলে এবং ২ জন শিক্ষার্থী বুয়েটে চান্স পেয়েছে। এরা সবাই লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষক হিসেবে আমি যদি বলি, নিয়ম ও নৈতিকতার মাধ্যমে লেখাপড়া করলে সাফল্য পাওয়া সম্ভব তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত নাফিসাহ্ তাবাসসুমসহ বিভিন্ন বিশ্ব বিদ্যালয়ে মেধা তালিকায় উত্তির্ণ শিক্ষার্থীরা। যারা সফল হয়েছেন প্রত্যেকের জন্য শুভ কামনা জানিয়ে ভবিষ্যৎতে দেশের সেবায় নিয়োজিত থাকার পরামর্শ দেন তিনি।