Ad Space 100*120
Ad Space 100*120

প্রতিবন্ধি কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, তিন-যুবক কারাগারে


প্রকাশের সময় : ২ মাস আগে
প্রতিবন্ধি কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, তিন-যুবক কারাগারে

প্রতিনিধিঃ বুদ্ধি প্রতিবন্ধি কিশোরীকে (১৪) সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মোবাইলে ভিডিও ধারন ও এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগে আটক তিন যুবককে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। রায়পুরের কেরোয়া ইউনিয়নের লুধুয়া গ্রামের (আহসান উল্লাহ মিজি বাড়ীর) দিনমজুর ইমাম হোসেনের ছেলে সোহেল প্রকাশ মনা (২৬), জাকির হোসেনের ছেলে পলাশ হোসেন (১৯) ও একই গ্রামের (হাসিম মিজি বাড়ীর) ইব্রাহিমের ছেলে রবিন হোসেন (২২)
তবে এ ঘটনার মূল আসামি মুক্তার হোসেন বাড়ীঘর ছেড়ে পলাতক রয়েছেন। শনিবার দুপুর ১২টায় (৪ মে) গনধর্ষণ ও পর্ণোগ্রাফি মামলায় আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।প্রতিবন্ধি মেয়েটিকেও সদর হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষার পর জবানবন্ধির জন্য লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকের কাছে নেয়া হয়েছে। শনিবার দুপুরে রায়পুর থানার ওসি ইয়াসিন ফারুখ মজুমদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এছাড়াও এ ঘটনাটি কাউকে জানালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছেড়ে দেয়ার হুমকিও দিয়ে লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে চার যুবক। শুক্রবার সন্ধায় ( ৩ মে) কেরোয়া ইউপির লুধুয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে। রায়পুর থানার ওসি (তদন্ত) আরেফিন সিদ্দিকি জানান, মামলার বাদির স্বামী প্রবাসে রয়েছেন। এই সুযোগে বাদিকে মানুষিক ভাবে নির্যাতন করে আসছে একই বাড়ীর দিনমজুর মুক্তার হোসেন। এ ঘটনায় কয়েকবার শালিশ বৈঠকও হয়। কিন্তু মোক্তার তার অপকর্ম ছাড়তে পারেনি। গত ১৪ এপ্রিল দুই কিশোরী মেয়েকে ঘরে রেখে তাদের মা ও মামলার বাদি তার চিকিৎসার জন্য এক ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় হাসপাতালে যান। এই সুযোগে ১৫ এপ্রিল দুপুরে (রমজান মাস) বাদির বুদ্ধি প্রতিবন্ধি কিশোরি মেয়েকে বসতঘরে একা পেয়ে মুক্তারসহ চারজন সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে।
তিনি আরও বলেন, সেখানে মেয়েটি সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের পর মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন। পরে অজ্ঞান অবস্থায় ওই কিশোরীকে ফেলে রেখে যায় তারা। এরপর ওই কিশোরীর মায়ের কাছে লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। না দিলে হুমকি দিয়ে বলেন ঘটনাটি কাউকে জানালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছেড়ে দেয়া হবে। মুক্তারের মোবাইলে ধারণকৃত ধর্ষণের ভিডিও ধারন করা হয়েছে।
শুক্রবার রায়পুর থানায় কিশোরীর মা লিখিত অভিযোগ দেন। এ ঘটনায় চারজনের বিরুদ্ধে গনধর্ষণ ও পর্ণোগ্রাফি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার বাদি ও কিশোরী মা বলেন, আমার স্বামী বিদেশ যাওয়ার পর একই বাড়ীর মোক্তার হোসেন আমার ওপর কু-নজর পড়ে। মানুষিক নির্যাতন করে। দুই মেয়েকে বাড়ীতে রেখে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাই। এ সুযোগে মুক্তারসহ চারজন আমার অবুঝ সহজ সরল বুদ্ধি প্রতিবন্ধি মেয়েটির উপর হায়নার মত নির্যাতন করে। ভিডিও ধারন করে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। না দিলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছেড়ে দেয়ার হুমকি দেয় মোক্তার। আমি এর কঠিন বিচার চাই।