Ad Space 100*120
Ad Space 100*120

লক্ষ্মীপুরে সংখ্যালঘু পরিচয় দিয়ে জমি দখলের চেষ্টা, চাঁদা দাবীর অভিযোগ


প্রকাশের সময় : ১ বছর আগে
লক্ষ্মীপুরে সংখ্যালঘু পরিচয় দিয়ে জমি দখলের চেষ্টা, চাঁদা দাবীর অভিযোগ

প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে খোকন চন্দ্র দাস পিতা হরিমোহন দাস এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে মানুষের জমি দখল, চাঁদাবাজিসহ নিজ ধর্মের লোকদের হয়রানি ও বিতাড়িত করার অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন অভিযোগ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের উত্তর মজুপুর গ্রামের খোকন চন্দ্র দাস এলাকায় ব্যাপক চাঁদাবাজি মানুষকে জমি থেকে উচ্ছেদ ও নিজ গোত্তের লোকজনকে মামলা দিয়ে বিতাড়িত করা সহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, বিগত ১৭/০৭/২০২২ ইং তারিখে অঞ্জলি বালা দাস ও প্রবীর চন্দ্র দাস পিতা ধীরেন্দ্র কুমার মাতা পারুল বালা দাস থেকে মজুপুর মৌজার সাবেক ১০১,১০৩.১০৪, দাগে যা হালে ১১৪১,১১৪৬,১১৪৯ দাগে সাড়ে ৮ শতাংশ জমি ৬২১৪ নং সাব কবলা দলিল মূলে খরিদ করেন। যা অঞ্জলি বালা দাস ও প্রবীর দাস খরিদ সূত্রে ও মাতার ওয়ারিশ সূত্রে দীর্ঘ দিন থেকে ভোগ দখলে ছিলেন। পরবর্তীতে সাড়ে ৮ শতাংশ জমি বিক্রি করার পর এডভোকেট শাহাদাত নিকট দখল বুঝিয়ে দেন।
এ্যাড: শাহাদাত হোসেন নিজ নামিয় ও দখলীয় জমিতে বাউন্ডারী ওয়াল ও টিনসেট ঘর নির্মাণ করতে গেলে খোকন চন্দ্র দাস ও তার লোকজন বাধা দেন।উক্ত বিরোধকৃত বিষয় নিয়ে লক্ষ্মীপুর সদর থানায় ও আইনজীবী সমিতিতে বসা হলেও খোকন চন্দ্র দাস তার মালিকানা পক্ষে কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। উক্ত ঘটনার পূর্বে খোকন চন্দ্র দাস শাহাদাত হোসেনের নিকট ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে।
এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয় যার নং-৪৬৩। মামলা দায়েরের পর শাহাদাত হোসেন ও খোকন চন্দ্র দাসের আইনজীবীদের মাধ্যমে একটি সমঝোতা হয়। উক্ত সমঝোতা করার পর আদালতে সোলনামা দায়েরের মাধ্যমে সকল মামলা প্রত্যাহার ও বিরোধকৃত বিষয় মিমাংসা হয়। আদালতের সোলনামা দাখিলের পর শাহাদাত হোসেন তার নিজ খরিদকৃত জমিতে বাউন্ডারী ওয়াল ও টিনসেট ঘর নির্মাণ করতে গেলে খোকন চন্দ্র দাস পুনরায় বাধা দেন। এতে বাধায় কাজ না হওয়ায় গত ৮/০৫/২০২৩ ইং তারিখে আদালতে একটি ১৪৪ ধারা মামলা দায়ের করেন। উক্ত জমির দাতাগণ ২০০৬ সালে খোকন চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন যার নং-৭৬০। মামলা দায়েরের পর খোকন চন্দ্র ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকি ধামকিতে মামলার বাদী পুতুল রাণী দাস ও তার স্বামী প্রবীর চন্দ্র দাস নিরাপত্তার অভাবে এলাকা ছেড়ে চলে যায়। এছাড়া খোকন চন্দ্র দাস এলাকায় সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী জমিদখলসহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত রয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন। এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুর জজ কোর্টের আইনজীবী এ্যাড: সাহাদাত হোসেন জানান, আমি উত্তর মজুপুর মৌজার খোকন চন্দ্র দাসের বাড়িতে সাড়ে ৮ শতাংশ জমি খরিদ করি। এতে খোকন দাস ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন ভাবে আমাকে হয়রানি করছে। বার বার সমঝোতা হলেও তিনি তা মানছেন না। অভিযোগের ব্যাপারে খোকন চন্দ্র দাসের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সরাসরি দেখা করে বিস্তারিত বলবেন বলে জানিয়েছেন।