Ad Space 100*120
Ad Space 100*120

লক্ষ্মীপুর সদরে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য ৭০ টি উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম উদ্বোধন


প্রকাশের সময় : ২ years ago
লক্ষ্মীপুর সদরে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য ৭০ টি উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম উদ্বোধন

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য ৭০ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদেরকে শিক্ষা উপকরণ হিসেবে বই, খাতা, কলম, ড্রেস, ব্যাগ ও উপবৃত্তি প্রদান করা হবে। এতে দরিদ্র, সামাজিক ও অর্থনৈতিক দুরাবস্থাগ্রস্থ ও ভৌগলিক প্রতিবন্ধকতার কারণে ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীরা এ শিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় আসবে।
বেসরকারী এনজিও ডরপের সহযোগীতায় ৩ মার্চ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে উপজেলার ভবাণীগঞ্জ ইউনিয়নের চর উভূতি উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিতা কেটে ও শিখন কেন্দ্রের ফলোক উম্মোচন করে এই কার্যক্রম শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত রায়।
স্থানীয় বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ইউপি সদস্য রাশেদ মাহমুদ লিটনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো জেলা শাখার সহকারী পরিচালক বিদ্যুৎ রায় বর্মন, লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের কার্য নিবাহী কমিটির সদস্য ও দৈনিক আজকালের খবর পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মো: রবিউল ইসলাম খান, ডরপের সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার আব্দুল মালেক, জেলা ম্যানেজার বলরাম চক্রবতীর্, ডেপুটি ম্যানেজার মো: অহিদুজ্জামান লিটন, উপজেলা ম্যানেজার মাইন সুলতানা লাভলী প্রমুখ।

এর আগে উপজেলার ভবাণীগঞ্জ, তেওয়ারীগঞ্জ, কুশাখালী, চর রমণী মোহন, শাকচর ও চর রুহিতা ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে জরীপের মাধ্যমে ঝরে পড়া শিক্ষার্থী শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হয়। এসব ইউনিয়নে মোট ৭০ বিদ্যালয়ের কার্যক্রম উদ্বোধনের মাধ্যমে শুরু করা হয়।

জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর সহকারী পরিচালক বিদ্যুৎ রায় বর্মন বলেন, এনজিও ডরপের বাস্তবায়নে চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি—৪) এর আওতায় সদর উপজেলার ঝরে পড়া ৮—১৪ বছরের শিশুর জন্য প্রতি উপজেলায় ৭০ টি করে ৪২ মাস এই শিক্ষা কার্যক্রম চলবে। শিক্ষার্থীদেরকে শিক্ষা উপকরণ হিসেবে বই, খাতা, কলম, ড্রেস, ব্যাগ ও উপবৃত্তি প্রদান করা হবে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে একজন শিক্ষকের মাধ্যমে ৩ ঘন্টা পর্যন্ত পাঠদান কার্যক্রম চলবে।

তিনি আরোও বলেন, অভিভাবকদের দারিদ্রতা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক দুরাবস্থা, শিশুশ্রম ও ভৌগলিক প্রতিবন্ধকতাসহ বিভিন্ন কারণে অনেক শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারে না। আবার অনেকে বিভিন্ন কারনে স্কুল থেকে ঝরে পড়ে।

এ কার্যক্রমের মাধ্যমে ঝড়ে পড়া শিশুদের উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রাথমিক শিক্ষা দিয়ে তাদেরকে শিক্ষার মূল ধারায় সম্পৃক্ত করতে সহায়তা করবে। এতে সরকারের রূপকল্প—২০২১ ও জাতিসংঘের ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।