Ad Space 100*120
Ad Space 100*120

‘সংঘর্ষে নয় পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে সজিবের মৃত্যু’


প্রকাশের সময় : ৭ মাস আগে
‘সংঘর্ষে নয় পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে সজিবের মৃত্যু’

 প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার মো. মাহফুজ্জামান আশরাফ বলেছেন, বিএনপির পদযাত্রা কিংবা সংঘর্ষে মারা যায়নি সজিব। পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে কুপিয়ে জখম করার কারণে তার মৃত্যু হয়।বুধবার (১৯ জুলাই) পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রেস বিফ্রিং এই তথ্য জানানো হয়।এসময় বলা হয়, শহরের কলেজ রোড সড়কের মদিন উল্যা হাউজিংয়ের ফিরোজা টাওয়ারে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের ঘটনাস্থল থেকে প্রায় কিলোমিটার দূরে এ হত্যাকান্ড ঘটে। পুলিশ ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। তাতে দেখা যায় ৩-৪ জন লোক সজিবকে ফিরোজ টাওয়ারে গিয়ে তর্ক বির্তকের পর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে ওই টাওয়ারের একজন মহিলা তাকে উদ্ধার করে মাথায় পানি ঢালে।

তখন কী কারণে তাকে মারধর করা হয়েছে জানতে চাওয়া হলে সজিব জানান, তার কাছে ওরা টাকা পাবে এ কারণে তাকে মারধর করেছে। সে পদযাত্রা কিংবা শান্তি সমাবেশে আসেনি। এরপর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা যায় সজিব। পরে স্থানীয়রা ৯৯৯ ফোন করলে পুলিশ গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ সুপার আরও জানান, ১৮ জুলাই কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে লক্ষ্মীপুরে পদযাত্রা কর্মসূচি করার জন্য জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি পুলিশের কাছে অনুমতি চান। পদযাত্রায় কোনো ধরনের লাঠি কিংবা উশৃঙ্খল আচরণ করা যাবে না এবং হাইওয়ে সড়কে অবস্থান করা যাবে না এমন শর্তে তাদের অনুমতি দেওয়া হয়। ঘটনার দিন বিএনপির কর্মীরা লাঠি ও পতাকা নিয়ে প্রবেশ করে এবং উশৃঙ্খল আচরণ শুরু করে অনুমতির রুট ভেঙ্গে মহাসড়কে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ নিয়মতান্ত্রিক ভাবে তাদের বাধা দেয়। এসময় শহীদ চৌধুরী এ্যানিকে নেতাকর্মীদের নিবৃত্ত করার জন্য অনুরোধ করা হলেও পুলিশের কথা তিনি শুনেননি।

উল্লেখ, মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) রাতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি তার বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি লক্ষ্মীপুরে পুলিশ-বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশকে দায়ী করে সজিব হত্যার ঘটনায় নিজেদের দলীয় কর্মী পরিচয় দিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে জানান।